Thursday, March 17, 2011

নির্বাণ

সোহেল মাহমুদের প্রায় একবছর আগের লেখা লিরিক -

এক চোখে তোর রোদ পুড়ে জল,
নির্বাণ রাখিস অন্য চোখে
জানালায় যদি থামে আলো রঙ
সাদা সুখ মাখিস চৌকাঠে ।।
সমুদ্র যাবে তোর দেহ-শ্মশানে
মগ্ন ছায়াতল দেহ বিনাশে
নগ্ন চোখে জাগে ঘুম উল্লাসে
ভালোবাসিস আলতো করে

চিল ভাসে আকাশ জুড়ে যদি নীল
কচি ধান পাতা মরা ঘ্রাণে
ইচ্ছে হলেই রাখিস খুলে চোখ
নকশি কাঁথায় মরচে ধরা প্রেম
শাড়ির আচঁল মলিন, ধুলায় লুটাবে
মাঝরাতে নদী স্রোত হারাবে
নগ্ন চোখে জাগে ঘুম উল্লাসে
ভালোবাসিস আলতো করে

এপারে থামবে পাখির ডানা
আমার খরায় না হয় ভুল নিবাস
সূর্য দেবে ধরা মাধবলতা সাজে
মাতাল হাওয়ায় চাঁদের সুবাস
অনাঘ্রাতা নদী ভিজে হাওয়ার সুখ
কাঁচের দেয়ালে কার অভিমানী মুখ
রিমঝিম ব্যথা বাজে বুক ফানুসে
নগ্ন চোখে ঘুম জাগে উল্লাসে

Thursday, February 4, 2010

বিশ্বাস নিয়ে

বাল্যবন্ধু রানা একদিন মাহমুদের লিরিকে সুর করে বসল। কথা এবং সুর দুইই ভালো লাগায় আমি ভোকালসহ ট্র্যাকটা করি। লিরিসিস্ট হিসেবে পরিচিতি থাকলেও এটা সম্ভবত রানার করা প্রথম কোন সুর।

বিশ্বাস নিয়ে ... ....

বিশ্বাস নিয়ে হাতের মুঠোয়
পথ চলেছি খোলা হাওয়ায়
বিশ্বাসে আজ বিশ্বাস নেই,
মৃত্যু দেখি দ্বারের পরে
স্বপ্ন বন্দী লাশের ঘরে
ভাবনা ডোবে নিকষ আঁধারেই।

দিনে দিনে ভাবনা খুঁড়ে
তোমায় দূরে দিচ্ছি ছুঁড়ে
নিজের মাঝে ডুবে থাকতে চাই,
আলো ছায়ার হাওয়া মুছে
নতুন কাহন যাচ্ছি রচে
নেই প্রয়োজন আলোর রোশনাই।

ছায়ায় মেশে স্মৃতির ধূলো
মরচে পড়া পাপড়ি গুলো
নতুন কাব্য হয় না লেখা আর,
আলো আলো বিষন্নতা
রাত্রিজাগা স্মৃতি কথা
হারিয়ে গেলো গোপন অভিসার।

ভেবে নিচ্ছি অনেক কিছু
ছুটছি শুধু নিজের পিছু
তোমায় নিয়ে কোন ভাবনা নেই,
বেঁচে থাকার যুদ্ধে নামি
অর্থহীন এই পাগলামি
ভালোবাসায় কোন ভালো লাগা নেই।

Wednesday, January 6, 2010

শুন্য দুটি ঘর

নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের লিরিকে দ্বিতীয় গান। লেখকের বিষাদ সংক্রমিত হতে পারে ...

শেষের পথে পথ মেলেছে
অচিন মেঠোপথ,
তাহার সিঁথির চিহ্ন সেথায়
করিছে বসত।

আমার একটি মাঠের পরে
ভাসছে নিরজন,
যেথায় কেহ শূন্যতারে
করে না আপন।

সেজন গেছে কোন সুদূরের
অশ্রু রেখে ঘাসে,
আমার মাঠের ঘাসগুলি তাই
তাহার আশায় আছে।

আমি পুড়ি, সেও পোড়ে,
মধ্যে তেপান্তর;
অচিনপথের দুইটি পাড়ে
শূন্য দুটিঘর।

Tuesday, December 22, 2009

প্রহসন

প্রথমে সাইফ হাসনাত'এর অন্য আরেকটা লিরিক পছন্দ হয়েছিলো, কিন্তু গান করতে পারছিলাম না। এই লেখাটা দেখার পর অপেক্ষা করতে হয়নি।

হঠাৎ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়
ভাবনাতে ভীড় করে অতীত,
জানলা খুলে দেখি আঁধার
ঘন কুয়াশায় জমাট তিমির

মনটা বলে তোমার কথা
জানতে চায় তুমি আছো কেমন,
তবু তোমার নীরব থাকা
তোমার কথা কি বলতে বারণ

ভাবনারা সব তোমায় খোঁজে
পড়ে একা থাকে এক অবয়ব
ইচ্ছেরা চায় আপন হয়ে
এসো মিছিলের হই কলরব

তুমি এখন অনেক দূরের
অপরিচিত আরো একজন
তোমাকে ছাড়াই জীবন যাবে
বলো হায় কেমন এ প্রহসন

Thursday, November 5, 2009

একটি ঝুমকো আর একটি নীল

নির্ঝর নৈঃশব্দ্যের লিরিকে প্রথম গান - একটি ঝুমকো আর একটি নীল। অনুমতির জন্য তাকে আগে গানটা শোনাতে হলো।

ঝুমকো আর একটি নীল....

কার মুঠোতে একটি ঝুমকো রাখা
কখন ভোরের তরল রোদে আঁকা
আরেকটা তোর নিঝুম পুষ্প কানে
একটি উড়াল বাতাস কেবল জানে

তুই কি এখন অংক খাতার ভাঁজে
পদ্যটা তোর লুকিয়ে রাখিস লাজে
কখন তারার আলো ফুটবে বলে
ঝুল বারান্দা ছড়িয়ে রাখিস ফুলে

শেষ হলে তোর অন্য আরো কাজ
একলা সখা তুই আর কেবল সাঁঝ
চাঁদের পাতায় স্বপ্ন মেখে রাখিস
পাতা ঝরার শব্দ হয়ে থাকিস

জানলাখোলা একটি রাতের চরে
তুই কিরে নীল আজো মুখের পরে
মায়ের বোনা নকশিকাঁথা ঢেকে
গাঁয়ের পথে হাঁটিস একেবেঁকে

এই তো আমি তোর গাঁয়েরই পথ
তোর নাকের কাঁখে একা একটি নথ
একটি ঝুমকো এই মুঠোয় রাখা
আরেকটা তোর পুষ্প কানে আঁকা

তুই তবে আর অংক খাতার ভাঁজে
পদ্যটা তোর লুকিয়ে রাখিস না যে
এখন তারার আলো ফুটছে বলে
ঝুল বারান্দা ছড়িয়ে আছে ফুলে

Wednesday, October 14, 2009

একটা আকাশ

ফয়েজের লিরিকে দ্বিতীয় গান। প্রায় আটমাস পর খুব কম সময়ে একটা নতুন গান করলাম।


একটা আকাশ সঁপে দিলাম মেঘের কাছে আজ,
কোথায় আমি পাবো এতো কথার কারুকাজ।
কোন কথাটা বারে বারে তোমায় দেবে নাড়া,
কোন কথাতে পাবো আমি বলো তোমার সাড়া।

কি শোনালে বলো তোমার খুলবে মনের ভাঁজ,
কোথায় আমি পাবো এতো কথার কারুকাজ।

আষাঢ়-শ্রাবণ খরায় কাটে তোমার অভিমানে,
বুকে বাঁধা জমাট প্লাবন কজন যে তা' জানে।
ঝরো তুমি অঝোর ধারায় শুকনো পাতার সাজ,
একটা আকাশ সঁপে দিলাম মেঘের কাছে আজ।

Saturday, December 6, 2008

ছায়াঘর

ফেসবুকে রানার সঙ্গে অনেকদিন পর হঠাত দেখা । তারপর লিরিকের বন্যা। তবে এই খুঁতখুঁতে লিরিকার নিয়ে নানাবিধ ঝঞ্ঝাট। তার লিরিকে হাত দেয়া যায় না, গান সহজে পছন্দ হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি।

সকাল দুপুর বিকেল সন্ধ্যা বেলা
অপেক্ষাতে রজনীগন্ধা
বাগান জুড়ে নিঃসঙ্গ, নিঃসঙ্গ হাস্নাহেনা
যায় না চেনা, যায় না চেনা ...

অন্য ভুবন প্রতি রাতে
স্মৃতির আকাশ দূরে থাকে
কৃষ্ণচূড়ায় মরিচিকা
একটা ছবি হচ্ছে আঁকা
একটা ছবি একলা আঁকা ...
একটা ছবি একলা আঁকা ...

ঘোর লাগা চোখ, ভোরের বেলা
আঁধার নিয়ে আলোর খেলা
জলতৃষ্ণায় গোলাপ থাকে
একটা ছেলের দীর্ঘশ্বাসে,
ছায়াঘরে রাতটা জাগে ...
ছায়াঘরে রাতটা জ়াগে ...

যাচ্ছি ফেলে

ঠিকানা না থাকায় ফয়েজের সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। অনেকদিন পর যোগাযোগ হবার পর তার অনুমতি পাওয়া গেল।

যাচ্ছি ফেলে স্মৃতির যত
ছিল ছেঁড়া পাতা
যাচ্ছি ফেলে তোমার সাথে
হওয়া শেষের কথা।

যাচ্ছি ফেলে মাটির এ পথ
দুপাশেরই ঘাস
যাচ্ছি ফেলে আমার বড়
প্রিয় এই আবাস

যাচ্ছি ফেলে তোমার আমার
হাত ধরে এই হাঁটা
যাচ্ছি ফেলে ঘাসফুল আর
পথের চোরা কাটা

যাচ্ছি ফেলে একমুঠো রোদ
হলদে ফড়িং ডানায়
যাচ্ছি ফেলে ভরা দীঘির জল চোখের
কানায় কানায়

যাচ্ছি ফেলে আরো কয়েক
বছর করে পার
যাচ্ছি ফেলে উন্মুক্ত আমার
কৈশরের দুয়ার

যাচ্ছি আমি যাচ্ছি চলে
অচেনা দূরে
নিলাম তুলে নতুন করে
অচেনা গান সুরে।

ভুবন বিকিয়ে

ডেভিড বোয়ী'র ১৯৭০ 'এ প্রথম রিলিজ হওয়া "ম্যান হু সোল্ড দ্যা ওয়ার্ল্ড" গানটা নিয়ে রীতিমত অবসেশন ছিলো । পরবর্তিতে নির্ভানা একই গানের শিরোনামে কাভার করে আনপ্লাগড অ্যালবামে ১৯৯৩ সালে। সামহোয়্যারে গানটির অনুবাদ চেয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম। কোন সাড়া না পাওয়ায় আমাকেই অনুবাদ করতে হয়। নিজের গানে ডেভিড বোয়ী আত্মোপলব্ধির কথা বলেছেন, শিল্পীর দ্বৈতসত্ত্বার কথা বলেছেন। দুর্বল অনুবাদে আসল গানের অনুভূতিটা ঠিক ধরা পড়ে না।

পথের মোড়ে দেখা,
কোথায় কেমন থাকা
আনমনা আমি তবু সে
বন্ধু ডেকেছে
সে চোখে চেয়ে যায়,
দেখে প্রশ্ন জাগে হায়
কোথায় তুমি ছিলে,
গ্যাছে কত দিন চলে

ভুলিনি আমি পথ,
আমি ছাড়িনি হাল
মুখোমুখি সেই জন
দিয়েছে বিকিয়ে ভুবন

মুচকি হেসে আমি,
ফিরেছি ঠিকানায়
হেটেছি বহুদূর,
কতো পথ অচেনা
ভেবেছি নেই তো সে,
কবে হারিয়ে গ্যাছে
হাজার মুখের ভীড়ে,
কতো যে কাল আগে

কে জানে আমি সেই জন?
চোখে প্রশ্ন অপার
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
হারানো বিবেক আমার

ভুলিনি আমি পথ,
আমি ছাড়িনি হাল
মুখোমুখি সেই জন
দিয়েছে বিকিয়ে ভুবন

নদীর দুকূল

লীনা ফেরদৌস "ভালোবাসার ছড়া-ছড়ি" সিরিজে কিছু ছড়া লিখছিলেন। আমি তার দুইটি ছড়া জোড়া দিয়ে একটা ফোক মতন গান করার চেষ্টা করি। তাঁর সেটা পছন্দ হয়নি। তিনি একটি ছড়াই নতুন করে লিখে দিলেন।

নদীর দুকূল ভাইস্যা গেছে
আসমানেতে চাঁন
তোর হাসিতে ঘর ভাইস্যাছে
মনগাঙ্গেতে বান।

এমন হাসি সয়না প্রাণে
চক্ষে লাগে ধান্ধা
তোর লগেতে বন্ধু আমি
কেমন সূতায় বান্ধা।

কালো মেঘের কোলে লুকায়
আসমানেরই চাঁন
এই মনে চায় লুকাই তোরে
অন্তরের ভিতর।

বাউল আমি তর রূপেতে
গলায় বাঁধি গান
তর লাগিয়া হই বিবাগী
মন করে আনচান।

বিরহবিলাস

গানের কথা লিখেছেন রাজর্ষি নিকের ব্লগার শামীম আশরাফী । এই গানে প্রথম অডিও এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করলাম। শামীম লিরিকে ইচ্ছামতো কাটাছেঁড়া করার অনুমতি দিলেন।

আবারও যদি আসি ঝড় হয়ে
এলোমেলো হয়ে যাও তুমি
ধূসর স্মৃতির বিবর্ণ পাতায়
পড়ে আমার লেখা দিনলিপি
ভেবোনা তোমায় বেসেছিলাম ভালো।

নদীর ঢেউ উত্তাল ছিল বলে
কাল বোশেখী চেয়েছি আমি
সাদা কাশের ঘন সুদূরের পানে
ফিরবো না আর তোমার টানে,
ফিরবো না আর সে চোখের টানে।

ঐন্দ্রজালিক চাঁদের আলোর সুরে
উষ্ণ হত হৃদয় জলাভূমি
নিঝুম দ্বীপের শীতল সবুজ বন
বোঝেনি তোমায় আমার অবুঝ মন
বোঝেনি তোমায় আমার অবুঝ মন

শেষ নিঃশ্বাস

ব্লগারুদের লেখা থেকে গান করার তৃতীয় অপচেষ্টা ছিলো টিপু কিবরিয়ার "একটি অপূরণীয় বাসনা" । এই গান তাঁর অনুমতিসহ আপলোড করেছিলাম।

এসো সকালের মিষ্টি রোদে
শেষবারের মত শ্বাস ফেলে
হাওয়ায় মিলিয়ে যাই।
হতাশার অব্যর্থ তীরের আঘাতে
রক্ত ঝরার আগে
চলো হারিয়ে যাই।

দীর্ঘতম সৈকতে বসে
দীর্ঘতম বিলাপ
কজনেরই বা পোষায়
তার চেয়ে ভালো
বুক ভরা শ্বাস নিয়ে
হাওয়ায় ভেসে ভেসে
এসো সকালের মিষ্টি রোদে
শেষবারের মত শ্বাস ফেলে
হাওয়ায় মিলিয়ে যাই।

আপনজন

সামহোয়ার-ইন-ব্লগের সহজ সুন্দর কবিতাগুলো দেখে মনে হতো এগুলো কত ভালো লিরিক হতে পারতো! এই রকমই একটা লেখা ছিলো আসিফুজ্জামান তমালের "ইচ্ছেঘুড়ি"। অনেকদিন পর তার অনুমতি পাওয়া গেল।

আকাশ জুড়ে বৃষ্টি
আর বৃষ্টি ভেজা মন,
মন চাইছে থাকুক খুশি
আমার আপন জন।

নীল রং-এর আকাশ এখন
কালো মেঘে ঢাকা,
আমি আছি যেমন তেমন,
চাই তোমার ভালো থাকা।

তুমি থেকো সবুজ পাতায়,
তুমিই এলে লেখার খাতায়,
তুমি আছো মেঘের জলে,
আর ভাবছি তোমায় বারে বারে।

আকাশ জুড়ে মেঘের মেলা,
ভীষণ আঁধার কালো,
কেমন করে হঠাৎ যেন,
আশার প্রদীপ নিভে গেল।

নিভে গেল মন আমার,
নিভে গেল স্বপন,
আসছে নিভে সকল আলো,
তবু চাইছি তুমি থেকো ভালো।

রাত

অনেকদিন পর একদিন হঠাতই গান শুরু করি আমি আর শেলী ভাই । প্রথম কয়েক লাইন সামহোয়্যার-ইন-ব্লগে তুলে দিলাম। বাকীটা লিখে শেষ করেন ব্লগার আসিফুজ্জামান তমাল - যাকে আমি কখোনো দেখিনি, সামহোয়ারে মন্তব্য আদান-প্রদান হয়েছে শুধু।

আজ এই রাতটাকে ধরে রাখোনা
মুখের হাসিটা মুছে ফেলোনা
সময় বয়ে যায় মাতাল গানে
হৃদয় ভেসে যাক সুরের মূর্ছনায়

অতীত মুছে যাক সামনে তাকাও
মুক্ত আকাশে হাতটা বাড়াও
ছুটে চলে যাও আলোর পানে
জীবন খুঁজে পাক বাঁচার মানে

বসত গড়ে আজ নতুন আশা
বুকে ভরে নাও সেই ভালোবাসা
আনন্দে মেতে থাক তোমারই প্রাণ
বাতাসে ভাসে নাও নতুনের ঘ্রাণ।

নিরুদ্দেশ

এই গানের শুধু টাইটেলটাই আমার। লেখা আকরামের। অনেকদিন যার সঙ্গে যোগাযোগ নাই।

এই নীল - নীল আকাশ
এই নোনা বাতাস
বারণ করে তোমায় হতে দাস
ভোলায় শেকড়, বসবাস
পরিপাটি আচঁড়ানো চুল এলোমেলো করে
ধ্বনি প্রতিধ্বনি তুলে চলো একবার

এই নীল - নীল আকাশ
এই নোনা বাতাস
অথৈ সাগরে ভাসাও ভেলা
তুমি খেলো জীবন মৃত্যু খেলা
হয়তো পথ হারাবে
ভয় পেয়োনা
মেঘ কেটে গেলে
আকাশের তারার পথ দেখাবে

এই নীল - নীল আকাশ
এই নোনা বাতাস
হয়তো এই যাত্রা
কখোনো শেষ হবে না
তাই পরিপাটি আচঁড়ানো চুল এলোমেলো করে
ধ্বনি প্রতিধ্বনি তুলে চলো একবার ...

আধখানা গান

প্রথম গান করি আবু আহসান মিশুর একটা কবিতায়। টাইটেল কি ছিলো মনে নাই, হয়তো কোন টাইটেলই ছিলো না। আমরা তখনো কলেজে পড়ি কিংবা কলেজ মাত্র শেষ করেছি। অনেকদিন পরে যখন ব্লগে পাবলিশ করতে চাইলাম মিশু উড়িয়ে দিলো ক্লিশে লেখা বলে। বেশ আগে লেখা বলে আমারো পরের কথাগুলো মনে নাই ... এবং মিশুকে বলেও উদ্ধার করা যায় নাই। প্রথম গান বলে দুর্বলতা আছে। মিশুর কবিতার মানে কখোনই পুরোপুরি বুঝতে পারি না, এই লেখাটাও ব্যতিক্রম না।

বিষন্ন মেঘের মতো
জানালায় বসে আছি একা।
কালো জোছনার অথৈ জল
ছুঁয়ে আছে পা আমার।
এলো মেলো বিছানায়
শুয়ে আছে সঞ্চয়িতা
জীবনানন্দ ছিলেন মুখ গুজে বালিসে।

হাতে নিয়ে খাতা ওল্টাচ্ছি কবিতা
আঁধারে ভেজা
পড়ে আছে নষ্ট বোধ, নির্বোধ ... ভালোবাসা।